কপালে টিপ পরার ৫ টি শারীরিক উপকারিতা জেনে নিন

স্বাস্থ্য

বাঙালি মেয়ে হোক বা অন্য কেউ শাড়ি সে তো সবাই টিপ পরে থাকেন। টিপ না পরলে কেমন সাজটা সম্পূর্ণই হয় না। আবার শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের যাতে নজর না লাগে সেজন্য তাদের টিপ পড়ানো হয়। তবে এই টিপ পরা বিনা কারণে নয় এর পিছনে রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। তো আসুন জেনে নেই সে সুবিধা গুলো কি কি

১. মাথা ব্যথা কমায়:- মস্তিষ্কের মধ্যে দুই উরুর মাঝখানে আঙ্গুল দিয়ে যদি চাপ দেওয়া হয় তাহলে মাথা ব্যথা অনেক সময় কমে যায়। শরীরের এই অংশে শিরা উপশিরা যা কিছু আছে সবই এক কেন্দ্রমুখী। ফলে এই জায়গাটিতে যদি চাপ দেওয়া হয় তাহলে সকল শিরা-উপ শিরাগুলি শিথিল হয়ে যায় তাই ব্যথা কমে যায়। সেই কারণে টিপ পরলে আরাম বোধ হয়।

২. মানসিক চাপ কমায়:- মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে থাকে কথাটি শুনতে অনেকটা অবাস্তব মনে হলেও কথাটা কিন্ত ঠিক। প্রতিদিন কয়েক সেকেন্ডের জন্য এই স্থানে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে শিরা-উপশিরা গুলিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে তার সাথে সাথে ইনসমনিয়া থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

৩. এক প্রকার meditation :- দুই ভুরুর মাঝখানে টিপ পরার প্রচলন টা আজকের নয় বহুদিন থেকেই চলে আসছে। ভুরুর মাঝে দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নার গুলো থাকে অর্থাৎ এটি এক কথায় গুরুত্বপূর্ণ নার্ভ গুলির সংযোগস্থল। এই টিপস আমাদের মস্তিষ্ককে শান্ত ও জাগ্রত করে রাখতে সাহায্য করে। রোজ একই জায়গায় টিপ পরা এক প্রকার মেডিটেশনের মতো সাহায্য করে।

৪. মুখের বলিরেখা দূর করে:- দুই ভুরুর মাঝে যেখানে টিপ পড়া হয় সেটি এক কথায় শিরা উপশিরা গুলি সংযোগস্থল। যার ফলে সেখানে টিপ পরলে বা হালকা চাপ দিলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এই অঞ্চলে হালকা চাপ দিলে আমাদের মাথা নাক ও মুখের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে যা মুখের বলিরেখা দূর করতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

৫. চোখের পক্ষে উপকারী:- ফাইবার বহনকারী শিরা গুলি প্রধানত কপালের এই জায়গায় যুক্ত হয় যার ফলে কপালের এই জায়গায় হালকা চাপ দিলে বা মেসেজ করলে তা কিন্তু চোখের পক্ষে ব্যাপক ভাবে উপকারী।

লেখাটি ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করে অন্যদের জানতে সাহায্য করুন ও এরকম আরো কিছু তথ্য জানার জন্য আমাদের নিচের আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন।

1 thought on “কপালে টিপ পরার ৫ টি শারীরিক উপকারিতা জেনে নিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *