বিশ্বকর্মা পুজোয় এই জিনিসগুলো করুন আর করলে আপনার দিন শুভ হবে,

জানা-অজানা

বিশ্বকর্মা পুজোয় এই জিনিসগুলো করুন আর করলে আপনার দিন শুভ হবে,

 

বাঙালির কাছে শারদোৎসবের শুরুটা করে দিয়ে যায় বিশ্বকর্মা পুজোই। হিন্দু পুরাণ মতে সমস্ত দেব দেবীর প্রাসাদ, তাঁদের অস্ত্র শস্ত্র, যানবাহন তৈরি করেছেন ব্রহ্মাপুত্র বিশ্বকর্মাই। ঋগ্বেদ এবং স্থাপত্য বেদ অনুযায়ী পৃথিবী তৈরিতে বিশ্বকর্মার গুরুত্বপূর্ণ অসীম। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ভগবান বলা হয় বাবা বিশ্বকর্মা পুজোকে। ইঞ্জনিয়ারিং ছেলেলের জীবনে কিছু করতে গেলে বাবা বিশ্বকর্মা এর আশীর্বাদ প্রয়োজন। জীবনে সুখ পেতে আজকের দিনে কি করতে হবে দেখে নিন

 

হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে- ইনি হলেন দেবশিল্পী। বিষ্ণুপুরাণের মতে, প্রভাসের ঔরসে বৃহস্পতির ভগিনীর গর্ভে বিশ্বকর্মার জন্ম হয়। বেদে পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বকর্মা বলা হয়েছে। বিশ্বকর্মা মূলত সৃষ্টিশক্তির রূপক নাম। সেই অর্থে ইনি পিতা, সর্বজ্ঞ দেবতাদের নামদাতা। ইনি সর্বমেধ-যজ্ঞে নিজেকে নিজের কাছে বলি দেন। ইনি বাচস্পতি, মনোজব, বদান্য, কল্যাণকর্মা, বিধাতা। ঋগবেদের মতে– ইনি সর্বদর্শী ভগবান।

 

 

 

ইনি দেবতাদের জন্য অস্ত্র তৈরি করেন। মহাভারতের মতে– ইনি শিল্পের শ্রেষ্ঠ কর্তা, সহস্র শিল্পের আবিস্কারক, সর্বপ্রকার কারুকার্য-নির্মাতা। স্বর্গ ও লঙ্কাপুরী ইনিই নির্মাণ করেছিলেন। রামের জন্য সেতুবন্ধ নির্মাণকালে ইনি নলবানরকে সৃষ্টি করেন। কোনো কোনো পুরাণ মতে, বিশ্বকর্মা বৈদিক ত্বষ্টা দেবতার কর্মশক্তিও আত্মসাৎ করেছিলেন। এই জন্য তিনি ত্বষ্টা নামেও অভিহিত হন।

 

ভাদ্রমাসের সংক্রান্তির দিন বিশ্বকর্মার পূজা করা হয়। সূতার-মিস্ত্রিদের মধ্যে এঁর পূজার প্রচলন সর্বাধিক। তবে বাংলাদেশে স্বর্ণকার,কর্মকার এবং দারুশিল্প, স্থাপত্যশিল্প, মৃৎশিল্প প্রভৃতি শিল্পকর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিগণও নিজ নিজ কর্মে দক্ষতা অর্জনের জন্য বিশ্বকর্মার পূজা করে থাকেন।

 

 

 

 

 

আর আপনার বাড়িতে যদি বিশ্বকর্মা পূজো হয়ে থাকে বা না-ও হয়ে থাকে তবু আপনার ব্যবসা, শিল্প এবং পরিবারে আর্থিক সুখ আনতে একটি ছোট্ট নিয়ম মেনে চলুন। বিশ্বকর্মা পূজোর দিন বাড়ির চৌকাঠে একটু সামান্য নুন রাখুন। এতে বিশ্বকর্মার নজর পরে আপনার দরবারে।