হয়রানির দিন শেষ, এখন থেকে অনলাইন সংশোধন করুন ভোটার কার্ড

25
138989
Source:- Internet

দেশের নাগরিকত্বের পরিচয় পত্র হলো ভোটার কার্ড। বিভিন্ন রকম পরিচয় পত্র এসেছে যেমন আধার কার্ড।কিন্তু এই আধার কার্ড আসার পরেও ছি ভোটার কার্ডের গুরুত্ব কমে নি সেটা বলাই বাহুল্য। সচিত্র পরিচয় পত্রই হলো দেশের নাগরিকত্বের আসল প্রমান।

কিন্তু এই পরিচয় পত্রে যদি কোন ভুল থাকে বা পরিচয় পত্র বানানোর সময় যদি কোন ভুল হয়ে যায় তাহলেই সব শেষ। সব জায়গাতেই সব তথ্য গন্ডগোল হয়ে যাবে।

Source:- Internet

আমাদের দেশে আঠারো বছর বয়স হলেই বানিয়ে দেওয়া হয় ভোটার কার্ড। ভোটার কার্ড বানানোর সময় একসাথে যেহেতু এত কার্ড বানানো হয় তাই মাঝে মাঝে কিছু কিছু ভুল হয়ে যায়। কিন্তু এই ভোটার কার্ডে ভুল হয়ে গেলে কিভাবে বদলাবেন? একবার ভুল হলেই চিন্তার আর শেষ নেই।

আরও পড়ুনঃ অনলাইনে আধার কার্ড সংশোধন করার সহজ উপায়

কখন সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হবে, আবার শুরু হলেও লাইন দিতে হবে সারা দিন। বা হয়ত স্থানীয় পুরসভা বা গ্রাম পঞ্চায়েতে জানাতে হবে। সে সব এখন অতীত। হয়রানির দিন শেষ। এখন থেকে ঘরে বসেই অনলাইনে সংশোধন করতে পারবেন আপনার ভোটার কার্ড।

তো কিভাবে সংশোধন করবেন আপনার ভোটার কার্ড? দেখুন সেই সংশোধনের পদ্ধতি

১) প্রথমে www.nvsp.in ওয়েব সাইটে যান। সেখানে গেলে correction of entries in electoral roll বা সংশোধন অপশন পাবেন। সেটিতে ক্লিক করুন।

২) এবার আপনার সামনে আসবে ড্রপডাউন মেনু। সেখান থেকে নিজের জন্য উপযুক্ত ভাষা বাছুন। তারপর সেখানে আপনার তথ্য ইনপুট করুন।

৩) সব কিছু দেওয়া হবার পরেই আপনি সংশোধন করার অপশন টি দেখতে পাবেন। সেখানে নিজের ভোটার কার্ডে কি কি ভুল আছে দেখুন এবং যা যা ভুল আছে সেখানে ক্লিক করুন। এখানে একসঙ্গে অনেকগুলি তথ্য আপনি সংশোধন করতে পারবেন একসাথেই।

৪) এবার সংশোধনের কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে নিজের মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল আইডি দিন।

Source:- Internet

৫) শুধু এখানেই কাজ শেষ নয়, যদি আপনাকে নামের বানান,বয়স ইত্যাদি পরিবর্তন করতে হয় তাহলে আপনাকে প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, বার সার্টিফিকেট এর প্রতিলিপি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৬) যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে অর্থাৎ আপনার দেওয়া প্রতিলিপি সাথে সবকিছু মিলে যায় তাহলে আপনার ইমেইল আইডিতে একটি মেইল আসবে। আর মিল আসলেই আপনি বুঝে নেবেন যে আপনার কাজ ঠিকঠাক হয়েছে।

Source:- Internet

৭) মিল আসার পর 30 দিন সময় লাগবে আর তাহলেই সংশোধন হয়ে যাবে আপনার ভোটার কার্ড।

সাধারণ মানুষকে এই ভোটার কার্ডে ভুল থাকলে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়তে হতো। সাধারনত ভোটের আগেই হত সংশোধন। এর জন্য বিভিন্ন সরকারি অফিস বা স্থানীয় পুরসভা বা গ্রাম পঞ্চায়েতে খোঁজ নিতে হতো। নির্বাচন কমিশন যখন ভোটার কার্ড সংশোধনের বিজ্ঞাপন দিতে একমাত্র তখনই সম্ভবত এই কাজ।

তখন সারাদিন লম্বা লাইন দিয়ে এই সংশোধন চলত। কিন্তু এখন দেশ ডিজিটাল হওয়ার দৌলতে এইসব এখন অতীত। সুতরাং আপনার ভোটার কার্ডে ভুল থাকলে আপনিও এখনই সংশোধন করিয়ে নিন।