ধর্ষক বাবা ও মেয়ে কেমন আছেন? তাদের দিনযাপনের কাহিনী শুনলে চমকে উঠবেন

দেশ দেশ-বিদেশ
Source- Internet

এক সময় সারাদেশ উত্তাল হয়ে উঠেছিল তাদের দুজনকে নিয়ে। তাদের দুজনের নাম হল গুরমিত রাম রহিম সিংহ ইনসান ও তার পালিত কন্যা হানিপ্রীত। তারা দুজনেই ছিলেন ডেরা সাচ্চা সওদা’র প্রাক্তন প্রধান। রাম রহিমের ২০ বছরের কারাদণ্ড হয় দুই সন্ন্যাসিনীকে ধর্ষণের দায়ে। তীব্র অসন্তোষ শুরু হয় সাজা ঘোষণার পরেই। অনেক জায়গাতেই শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ।

বর্তমানে রাম রহিম এবং হানিপ্রীতের জেলেই দিন কাটছে। সাজাপ্রাপ্ত রাম রহিম আছে রোহতকের জেলে। আর হানিপ্রীত রয়েছেন আমবালার সেন্ট্রাল জেলে। হানিপ্রীতের বিরুদ্ধে মামলা চলছে এখনো। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় বাবার মামলার রায় দানের সময় তিনি হিংসি ছড়িয়েছেন। কিন্তু তাদের দিন কাটছে কেমন জানেন কি?

জানা যাচ্ছে যে আগের রামরহিম আর এখনকার রাম রহিমের মধ্যে অনেক পার্থক্য।অনেকেই মনে করছেন জেলে ঢুকেই একই অনেকটা বদলে গিয়েছে রাম রহিম। তার বর্তমান রোজগার প্রতিদিন মাত্র কুড়ি টাকা। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির কাজ করেন রাম রহিম। সেই ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ বাবাকে দেখে বর্তমানে চেনাই মুশকিল। এখন তার পরনে থাকে সাদা কুর্তা পায়জামা, দাড়ি ধূসর বর্ণের। শোনা যাচ্ছে তার পরিবার তাকে প্রতি মাসে 5000 টাকা করে পাঠায়। এই টাকা দিয়ে তিনি কি করেন সেটা জানলে হাসি পাবে, তিনি এই টাকা দিয়ে সিঙ্গারা কিনে খান।

এ তো গেল রাম রহিমের কথা, এবার শুনুন হানিপ্রীত কেমন আছে…

তিনি নাকি সব সময় অপেক্ষা করে থাকেন যে কবে তার কোন আত্মীয় তার সাথে দেখা করতে আসবেন। বর্তমানে তাই তিনি জেলে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার তীব্র চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার আগ্রহ নেই কোন পুজোআচ্চায়। যখন তার মামলা চলছিল তখন তিনি হাজরা দিতে আসতেন আদালতে। সেই সময় তার পরনে থাকতো নিত্যনতুন ডিজাইনার শুট। তিনি প্রথম প্রথম বাড়ি থেকে খাবার আনাতেন। কিন্তু পরবর্তীকালে জেল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সে সব বন্ধ হয়ে যাই। বর্তমানে তাকে জেলের খাবার খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।

সব হিসেবে বলতে গেলে আগের থেকে তাদের জীবন পুরোটাই পাল্টে গেছে,রাজকীয় খাবার দাবার ছেড়ে, রাজকীয় আরাম ছেড়ে দিয়ে বর্তমানে তাদের কে খুব কঠিন ভাবেই দিন কাটাতে হচ্ছে। তারা দুজনেই দুজনের কৃতকর্মের জন্য সঠিক শাস্তি পেয়েছেন সেটা আরো ভালো করে বোঝা যাচ্ছে তাদের জীবন যাপনের কাহিনী শুনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *